শুক্রবার, ০৯ ডিসেম্বর ২০২২, ০৩:৪১ অপরাহ্ন

অশনির প্রভাবে টুঙ্গিপাড়ায় ধান কাটা ও মাড়াই নিয়ে বেকায়দায় কৃষকরা

samrat Khan
  • আপডেট সময় : ১০ মে, ২০২২
  • ১০৯ বার পঠিত

অশনির প্রভাবে টুঙ্গিপাড়ায় ধান কাটা ও মাড়াই নিয়ে বেকায়দায় কৃষকরা

রাকিব চৌধুরী, গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি

‘অশনির’ প্রভাবে টানা কয়েকদিনের বৃষ্টিতে গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় ধান কাটা ও মাড়াই নিয়ে বিপাকে পড়েছেন কৃষকরা। অতিরিক্ত টাকা দিয়েও মিলছে না শ্রমিক। শুধু কৃষকরাই না পানিতে ভিজে যাওয়া ধান কাটতে ও মাড়াই করতে শ্রমিকরাও পড়েছেন বেকায়দায়। আবার ভিজে ধান কাটতে কদর বেড়েছে শ্রমিকের। ফলে বাধ্য হয়ে অধিক মূল্যে ধান কেটে নিতে হচ্ছে বলে একাধিক কৃষকরা জানিয়েছেন।

জানা গেছে, উপজেলায় ৫ ইউনিয়নে বেশির ভাগ জায়গায় এখনো অনেক জায়গায় ধান কাটা বাকি রয়েছে।
যে সময় বিলের ধান কাটা হয় ওই সময়ে বা তার আগে চলে উপজেলার বর্নি, কুশলি ও পাটগাতী ইউনিয়নে কলাই ও খেসারি উত্তোলনের কাজ। কলাই ও খেসারি উত্তোলন করেই রোপণ করা হয় বোরো ধান। অল্প সময়ের মধ্যেই সেই ধান কাটা যায়।

আজ মঙ্গলবার উপজেলার ডুমুরিয়া ইউনিয়নের চরগোপালপুর গ্রামের কৃষক মতিয়ার শেখ, চরগোপালপুর গ্রামের আসিফ মোল্লা, তারাইল গ্রামের মিল্টন গাইন, নয়ন বিশ্বাস বলেন, বৈরি আবহাওয়া ও গুড়িগুড়ি বৃষ্টির মধ্যেই ধান কাটা ও মেশিনে ভিজে ধান মাড়াই করতে হচ্ছে। খড় নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। রোদ না থাকায় আর মাড়াই শেষে ধান শুকানো যাচ্ছে না। একবার ধান মেলে দিয়ে আসছি তো একটু পরে শুরু হচ্ছে বৃষ্টি।

এজন্য আবার সেই মেলে দেয়া ধান পলিথিন দিয়ে ঢাকতে হচ্ছে। এভাবেই সারাটা দিন পার হয়ে যাচ্ছে। পুরোদমে রোদ না পাওয়া পর্যন্ত ধান শুকানো সম্ভব না। এভাবে আর কয়েকদিন চলতে থাকলে ধানে ট্যাক বা গাছ বের হয়ে যাবে। তখন ধানের ভাত বেশিক্ষণ থাকবেও না এবং স্বাদও পাওয়া যাবে না।

টুঙ্গিপাড়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা জামাল উদ্দিন বলেন, এবারে উপজেলায় ৮ হাজার ৪৫৫ হেক্টর জমিতে বোরো চাষ হয়েছে। ইতোপূর্বেই ৬০ শতাংশ শুকনো ধান কৃষক ঘরে তুলেছেন। বৃষ্টির ধান নিয়ে কৃষকদের সমস্যা হচ্ছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.


এ্রই রকম আরো সংবাদ