শুক্রবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২২, ০৮:৫৯ পূর্বাহ্ন

ব্রেকিং নিউজ :
রৌমারীতে গরিব দুঃখী মানুষের মাঝে কম্বল বিতরণ। তিনবছর আগে নিখোঁজ অতঃপর সেই ব্যক্তিকে জীবত উদ্ধার বাংলাদেশ ব্লাড ডোনার ফাউন্ডেশন নীলফামারী জেলা কমিটি গঠন” নড়াইল ভিক্টোরিয়া কলেজিয়েট উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নিমাই চন্দ্র পালের বিরুদ্ধে গোপনে নিয়োগ প্রদান,স্কুলের গাছ ও মাটি বিক্রির অভিযোগ ভিক্ষুক পূর্নাবাসনেরও হরিলুট রৌমারীতে স্কুলগৃহের দেয়াল চাপা পড়ে দিনমজুরের মৃত্যু সুন্দরগঞ্জে অনলাইন নিউজ পোর্টাল আলোকিত সুন্দরগঞ্জ এর যাত্রা শুরু- শীতার্তদের পাশে মানবতার ফেরিওয়ালা হিসেবে দাঁড়িয়েছে(ইউএনও)মোহাম্মদ আল মারুফ নড়াইলে মৎসঘের মালিককে হাতুড়ি পেটা, সদর হাসপাতালে ভর্তি অবশেষে বশেমুরবিপ্রবি’র আলোচিত সেই শিক্ষকের সভাপতি পদ স্থগিত

রৌমারী সদর ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অনাস্থা ।

Admin
  • আপডেট সময় : ১৪ অক্টোবর, ২০২০
  • ১০৭৯ বার পঠিত

শেখ আবু সাইম রৌমারী, কুড়িগ্রাম প্রতিনিধিঃ
অর্থ আত্মসাত, স্বেচ্ছাচারিতা, ব্যাপক অনিয়ম-দুর্নীতি, ক্ষমতার অপব্যবহারসহ নানা অভিযোগ তুলে কুড়িগ্রাম জেলার রৌমারী সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যার শহিদুল ইসলাম শালুর বিরুদ্ধে অনাস্থা এনেছেন ওই ইউনিয়নের ১০ সদস্য।
আজ বুধবার রৌমারী উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে লিখিত ভাবে ওই চেয়ারম্যানের প্রতি অনাস্থা আনার কারণ জানিয়েছেন ইউপি সদস্যরা। এর আগেও দুর্নীতি দমন কমিশনসহ(দুদক) বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দেওয়ার পরও কার্যকর কোনো পদক্ষেপ না নেওয়ার অভিযোগ ইউপি সদস্যদের। চেয়ারম্যান ও সদস্যদের মতবিরোধে দীর্ঘ ৪বছর ধরে ওই ইউপিতে চলছে অচলাবস্থা। এতে উন্নয়ন বঞ্চিত হচ্ছে সাধারণ মানুষ।

লিখিত অভিযোগে সুত্রে জানা গেছে যে, সোনালী ব্র্যাংক রৌমারী শাখার,হিসাব নং ৫২১৬৭৩৩০০৪০৬৬, রৌমারী সদর ইউনিয়ন পরিষদের উৎস হতে প্রাপ্ত বৈধ্য টাকা মোট= ৩৪,৩৬,৩৬৪/= মধ্যে ১৪,০০,০০০/= টাকা সন্মানী ভাতা পাইলেও বাকী ২০,৩৬.৩৬৪ /=টাকার কোন হিসাব নেই। সমূদয় অর্থ তিনি আত্নসাৎ করেছেন।

রৌমারী সদর ইউনিয়ের গোয়াল গ্রামের নতুন ভবনের সামনে (২) দুটি দোকান ঘর বরাদ্দ দিয়ে মোটা আংকের টাকা হাতিয়ে নিয়ে নিয়েছেন। যার আনুমানিক পরিমান ৩,০০,০০০/=(তিন লক্ষ) টাকার মত প্রায় হবে। পরিষদের রেজুলেশন ছাড়াই কারও মতামতের তোয়াক্কা না করেই একাই হাতিয়ে নিয়েছেন।
এসকল ব্যাপারে জানতে চাইলে ইউপি সদস্য/ সদস্যাদের সাথে দুর্ব্যবহার করেন।

রৌমারী সদর ইউনিয়ের (প্যানেল চেয়ারম্যান) ৩ নং ওয়ার্ডের মেম্বর মোঃ লাল মিয়া নিকট জানতে চাইলে তিনি জানান যে,ইউনিয়ন পরিষদের ট্রেড লাইসেন্সের প্রাপ্ত টাকা ও বিভিন্ন উৎস হতে টাকা মাত্র ব্যাংকে জমা করলেও পরবর্তীতে তুলে নিয়ে নেন। আরও বলেন যে এরকম ছোট বড় অনেক কারন আছে যাহা আমরা ১০ জন ইউপি সদস্য অনেক কষ্ট যন্ত্রনা সহ্য করে আসতেছি। আমরা সকলে মিলে তাকে সংশোধন হওয়ার সুযোগ দিলেও তিনি অর্থ ও শক্তির দাপটে অপচেষ্টায় টিকে আছেন।

রৌমারী সদরের রবিউল ইসলাম রানা আমাদের রিপোর্টার প্রতিনিধি জানান যে,পরিষদের রেজুলেশন ছাড়াই কারও মতামতের তোয়াক্কা না করেই একাই হাতিয়ে নিয়েছেন। রৌসারী পুরাতন ইউনিয়ন পরিষদের (৩) তিনটি দোকান ঘর থেকে জামানত ও ভারা বাবদ মোট = ৩,০০,০০০ টাকা নিয়েছেন। ইউনিয়ন পরিষদের প্রাপ্ত বিভিন্ন প্রকার প্রকল্প যেমন,এল জি এস পি,ও নন ওয়েজ,সমাজ সেবার বয়স্ক,বিধবা প্রতিবন্ধি ভাকা, কৃষি দপ্তরের বিভিন্ন বীজের নাম,মহিলা বিষয়ক ভাতা ও ভিজিডি কার্ডের নাম ভিজি এফ পরিষদের সিদ্ধান্ত থাকার পরেও এসব তিনি মন গড়া ভাবে করেন।

মেম্বার কলিমচান জানান যে,যত্ন প্রকল্প (৮) আটটি মেম্বারকে বঞ্চিত করেছেন। মাসিক মিটিং বিগত (৪) চারটি বছর মেয়াদ কালে করা হয় নাই। এলোমেলো ভাবে পরিষদের কার্যত্রুম চলছে।
মেম্বার রবিউল করিম জানান যে,চেয়ারম্যান সাহেব বাইরে কোথাও গেলে প্যানেল চেয়ারম্যান বা কোন মেম্বার/ সদস্যকে দায়িত্ব না দিয়ে না জারিয়ে চলে যান। তাহার অবর্তমানে দাপ্তরিক কার্যত্রুম স্বাক্ষর তার স্ত্রী দ্বারা পরিচালিত করেন। যাহার প্রমান ও তথ্য আমাদের কাছে রয়েছে।
আমরা সকল বঞ্চিত ইউপি সদস্য মিলে উপজেলা নির্বাহী মহোদয়কে অবগত করেছি।
মেম্বার তমিজ উদ্দিন খাঁন আমাদের জানান যে,চেয়ারম্যান সাহেব আমাদেরকে প্রলেভন দেখান এবং হুমকি ধামকি করেন, এবং কি কোন কোন মেম্বারদেন জিম্মি করে ফাকা চেকের পাতায় স্বাক্ষর ও (৩০০) তিন শত টাকার নন জুডিশিয়াল স্টাম্পে স্বাক্ষর নিয়েছেন। তাহা ফেরত চাইলেও অদ্যাবধি তিনি ফেরত দেননি।
সংরক্ষিত আসনের মহিলা মেম্বার শাহিদা খাতুন জানান যে, আমাদের সদর চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অভিযোগের শেষ নেই।

রৌমারী সদর ইউপি চেয়ারম্যানের নিকট জানতে চাইলে তিনি জানান যে,”আমি ষড়যন্ত্রের স্বীকার। আমি যা করেছি তা নিয়ম অনুযায়ী করেছি”।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


এ্রই রকম আরো সংবাদ