শনিবার, ২৪ Jul ২০২১, ০৪:৪৭ পূর্বাহ্ন

ব্রেকিং নিউজ :
রৌমারীতে এরশাদ হত্যায় জড়িতদের গ্রেফতার দাবিতে বিক্ষোভ করোনা সংকটে নড়াইলে বীর মুক্তিযোদ্ধা কাজী লোকমান হোসেন ফাউন্ডেশনের অক্সিজেন সিলিন্ডার সেবা শুরু ৩০ মিনিটেই হ্যাটট্রিক ব্রাজিলের রিচার্লিসনের, হারে শুরু আর্জেন্টিনার করোনার তৃতীয় ঢেউ মোকাবেলায় ডোনেট ফর ভূরুঙ্গামারীর জরুরী প্রস্ততিমূলক সভা সরিষাবাড়ী যমুনা সার কারখানার পরিবেশ দূষণ থেকে বাঁচতে এলাকাবাসীর মানববন্ধন সাংবাদিক মিলনের মহানুভবতায় বাচলো ৬টি পাখির ছানার প্রাণ। রোগীদের সেবা দিয়ে ঈদ আনন্দ উপভোগ করছেন মনিরামপুর স্বেচ্ছাসেবীরা হরিপুরে পুকুরের পানিতে ডুবে আপন দুই বোনের মৃত্যু রৌমারীতে ছোট ভাইয়ের হাতে বড় ভাই খুনি কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরীতে ৫শ দুস্থ্য পরিবার পেল ঈদ উপহার

২০ বছর আগে অবসর নিয়েও পেনশন সুবিধা পাননি মাইনউদ্দীন

Avatar
Saif Uddin
  • আপডেট সময় : ২৮ অক্টোবর, ২০২০
  • ১২৩ বার পঠিত

 

বাবলুর রশিদ বাবলু
পঞ্চগড় প্রতিনিধি
পঞ্চগড় জেলা শহরের মিঠাপুকুর এলাকায় এখনও সরকারি জরাজীর্ণ বাসায় পরিবার নিয়ে থাকেন পানি উন্নয়ন বোর্ডের অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী মাইনউদ্দীন আহমেদ। অবসর নেয়ার ২০ বছর পেরিয়ে গেলেও এখন পর্যন্ত তিনি পাননি পেনশন সুবিধা।

পানি উন্নয়ন বোর্ড ঠাকুরগাঁও (পওর) সার্কেলের তৎকালীন তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলীর ভুলের মাসুল দিতে গিয়ে যথাসময়ে চাকুরী স্থায়ীকরণ না হওয়ায় তিনি এখনও পেনশন সুবিধা থেকে বঞ্চিত।

পেনশন পাওয়ার জন্য তিনি পানি উন্নয়ন বোর্ডের প্রধান কার্যালয়সহ বিভিন্ন জায়গায় আবেদন নিবেদন করেও কোন ফল পাননি। তিনি মৃত্যুর আগে পেনশন সুবিধা পাওয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রীর আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

লিখিত আবেদনে জানা যায়, স্বাধীনতার আগে ১৯৬৭ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি মাইনউদ্দীন আহম্মেদ বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের সহকারী পাম্প চালক (অনিয়মিত) হিসেবে চাকুরীতে যোগদান করেন। এরপর ১৯৮০ সালে পানি উন্নয়ন বোর্ডের ঠাকুরগাঁও পওর সার্কেল হতে কর্মরত সকল অনিয়মিত পাম্প চালক ও সহকারী পাম্প চালককে নিয়মিত করা হলেও ওই তালিকায় ভুল বশত তার নাম বাদ পড়ে যায়।

এ নিয়ে ওই কর্মচারী পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মচারী পরিদপ্তরে আবেদন করেন। তাকে কি কারণে নিয়মিত করা হয়নি এ নিয়ে বিস্তারিত বিবরণ ৭ দিনের মধ্যে দাখিলের জন্য কর্মচারী পরিদপ্তরের উপ পরিচালক ২০শে এপ্রিল ১৯৯৯ সালে পাউবো’র ঠাকুরগাঁও পওর সার্কেলের তত্ত্ববধায়ক প্রকৌশলীকে চিঠি দেন।

ওই চিঠির প্রেক্ষিতে ঠাকুরগাঁও পওর সার্কেলের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী ২৭ জুলাই ১৯৯৯ কর্মচারী পরিদপ্তরের পরিচালককে দেয়া এক চিঠিতে বলেন, ১৯৮০ সালে তৎকালীন তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী অনিয়মিত কর্মচারীকে আত্মীকরণের জন্য দেয়া তালিকা থেকে ভুলক্রমে ওই কর্মচারীর নাম বাদ পড়ে।

ওই চিঠিতে তিনি ওই কর্মচারীকে ১৯৬৯ সালের ১লা মার্চ হতে নিয়মিত করার সুপারিশ করেন। এই চিঠির আলোকে কর্মচারী পরিদপ্তরের পরিচালক ২৬শে জুলাই ২০০০ সালে এক আদেশের মাধ্যমে তাকে ০১ মার্চ ১৯৬৯ সাল হতে নিয়মিত করে দপ্তরাদেশ দেন। এরপর ১০ই মার্চ ২০০০ সালে তাকে চাকুরী হতে পূর্ণ অবসর প্রদান করা হয়।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


এ্রই রকম আরো সংবাদ