শনিবার, ২৪ Jul ২০২১, ০৪:৪৪ পূর্বাহ্ন

ব্রেকিং নিউজ :
রৌমারীতে এরশাদ হত্যায় জড়িতদের গ্রেফতার দাবিতে বিক্ষোভ করোনা সংকটে নড়াইলে বীর মুক্তিযোদ্ধা কাজী লোকমান হোসেন ফাউন্ডেশনের অক্সিজেন সিলিন্ডার সেবা শুরু ৩০ মিনিটেই হ্যাটট্রিক ব্রাজিলের রিচার্লিসনের, হারে শুরু আর্জেন্টিনার করোনার তৃতীয় ঢেউ মোকাবেলায় ডোনেট ফর ভূরুঙ্গামারীর জরুরী প্রস্ততিমূলক সভা সরিষাবাড়ী যমুনা সার কারখানার পরিবেশ দূষণ থেকে বাঁচতে এলাকাবাসীর মানববন্ধন সাংবাদিক মিলনের মহানুভবতায় বাচলো ৬টি পাখির ছানার প্রাণ। রোগীদের সেবা দিয়ে ঈদ আনন্দ উপভোগ করছেন মনিরামপুর স্বেচ্ছাসেবীরা হরিপুরে পুকুরের পানিতে ডুবে আপন দুই বোনের মৃত্যু রৌমারীতে ছোট ভাইয়ের হাতে বড় ভাই খুনি কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরীতে ৫শ দুস্থ্য পরিবার পেল ঈদ উপহার

৩ শত টাকা বরাদ্দ হলেও ১শত টাকারও খাবার পাচ্ছে না কুড়িগ্রাম হাসপাতালের করোনা রুগীরা। 

a2zbarta com
a2zbarta com
  • আপডেট সময় : ৯ জুলাই, ২০২১
  • ১৬ বার পঠিত

৩০০ টাকা বরাদ্দ হলেও ১০০ টাকারও খাবার পাচ্ছে না কুড়িগ্রামের করোনা আক্রান্ত রুগীরা।
আতাউর রহমান বিপ্লব, কুড়িগ্রাম।
ভর্তি একজন করোনা রোগীর প্রতিদিনের খাবারের জন্য ৩শ টাকা সরকারি বরাদ্দ থাকলেও  কুড়িগ্রাম জেলা হাসপাতাল কতৃপকক্ষের অবহেলার কারণে সেই খাবার থেকে বঞ্চিত করোনা রোগীরা। ফলে অধিকাংশ করোনা রোগীকে বাড়ির খাবারের উপর নির্ভর করতে হচ্ছে।
সরজমিন কুড়িগ্রাম জেনারেল হাসপাতালের করোনা ইউনিটে খোজ নিয়ে জানা যায় চিকিৎসাধীন রোগীর সংখ্যা ৩৯জন।।তাদের সকালের নাস্তায় দেয়া হচ্ছে একটি করে ৫টাকা দামের পাউরুটি, ৮ টাকা দামের ডিম ও ৪ থেকে ৫ টাকা দামের কলা। দুপুরে খাবারে ভাতের সঙ্গে দেয়া হচ্ছে ডাল,একটি ডিম অথবা এক টুকরো মাছ এবং রাতের খাবারের সঙ্গে দেয়া হচ্ছে ভাতের সঙ্গে এক টুকরো মাছ অথবা একটি ডিম। বর্রতমান বাজার দর অনুযায়ী তিন বেলা খাবারের জনপ্রতি মুল্য দাঁড়ায় ১শ টাকা।। রোগীদের খাবারের সাথে নিয়মিত ফলমুল দেয়ার নিয়ম থাকলেও সেগুলো দেয়া হচ্ছে না।
কুড়িগ্রাম জেনারেল হাসপাতালে  করোনা আইসোলেশন ইউনিটে চিকিৎসাধীন রোগীরা জানান  করোনা শনাক্ত হওয়ার পর কয়েকদিন ধরে হাসপাতালের করোনা আইসোলেশন ইউনিটে চিকিৎসাধীন রয়েছে তারা। কিন্তু হাসপাতালের দেয়া খাবার খেতে পারছে না তারা। ভাত টিক মতো সিদ্ধ হয় না,সকালের নাস্তায় দেয়া পাউরুটি খাবার মতো না। এছাড়াও কোনদিন ফলমূল পান নি। বাধ্য হয়ে বাড়ি থেকে খাবার এনে খেতে হচ্ছে।।  ফলে খাবার সরবরাহে করোনা ইউনিটে দশর্নাথীর ভিড়ে করোনা সংত্রুমন ছড়ানোর ঝুঁকি বাড়ছে।।
করোনা ইউনিটে চিকিৎসা নিচ্ছে  তালতলা খামারপাড়ার জৈনেক রোগীর অভিভাবক জানান খাবার নিয়ে প্রতিবাদ করলে চিকিৎসা সেবায় নানা সংকট তৈরি করা হয়। (সেকারণেই নাম প্রকাশ না করতে রোগীর অভিভাবক অনুরোধ করেন।) কিন্তু বিবেকের তাড়নায় আপনাদের সত্যিটা জানালাম। করোনা ইউনিটে চিকিৎসা নিচ্ছে এমন একাধিক রোগীর পারিবারিক লোকজন জানান, ফলমূল তো দূরের কথা সকালে নাস্তার সাথে যে কলা দেয়া হয় সেটিও খাবার উপযোগী নয়, তরকারি দেখলে খাবার ইচ্ছে নস্ট হয়ে যায়।
সরকারি বরাদ্দ অনুযায়ী করোনা রোগীকে নিয়মিত ফলমূল ও হরলিক্স দেয়ার নিয়ম থাকলেও  সেগুলো  রোগীরা পাচ্ছে না কেনো?  জানতে চাইলে হাসপাতালের তত্বাবধায়ক ডাক্তার শহিদুল্লাহ লিংকন রীতিমত  চমকে উঠে, করোনা ইউনিটে দায়িত্ব প্রাপ্ত ডাক্তার, নার্সদের তার রুমে তলব করে  সাংবাদিকরা কি বলছে,রোগীদের খাবার এতো নিম্ন কেনো?  এরকম নানান কথা বলে চেয়ার থেকে উঠে  স্টাফদের নিয়ে করোনা ইউনিটে পরিদর্শনে যান।।  এরপর তার মোবাইলে ফোন দেয়া হলেও রিসিভ করেননি।।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


এ্রই রকম আরো সংবাদ